ফায়ার এক্সটিংগুইশারের মাসিক পরীক্ষা: দুই মিনিটের রুটিন
লেখক Fire Safety BD · সর্বশেষ আপডেট
প্রতি মাসে কী কী দেখবেন — গেজ, পিন, সিল, হোস ও বডি — এবং কখন এক্সটিংগুইশারটি সার্ভিস টেকনিশিয়ানের কাছে পাঠাতে হবে।
বছরের পর বছর দেয়ালে ঝুলে থাকা এক্সটিংগুইশারের কথা সহজেই ভুলে যাওয়া হয়। মাসে একবার একটু দেখে নিলেই বোঝা যায়, প্রয়োজনের দিনে এটি কাজ করবে কি না।
মাসিক পর্যবেক্ষণ
- জায়গা — এটি নির্ধারিত জায়গায় আছে, সহজে চোখে পড়ে এবং সামনে কিছু স্তূপ করে রাখা নেই।
- গেজ — কাঁটা সবুজ অংশে আছে। (CO2 এক্সটিংগুইশারে গেজ থাকে না; এটি ওজন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।)
- পিন ও সিল — সেফটি পিন জায়গামতো আছে এবং সিল অক্ষত।
- হোস ও নজেল — কোনো ফাটল নেই এবং মুখে কিছু আটকে নেই।
- বডি — টোল, মরিচা বা লিক নেই, এবং লেবেল পড়া যাচ্ছে।
- সার্ভিস ট্যাগ — শেষ সার্ভিস বা রিফিলের তারিখ এখনো মেয়াদের মধ্যে আছে।
ট্যাগে বা একটি খাতায় তারিখ ও আপনার স্বাক্ষর লিখে রাখুন। রেকর্ড থাকলে কোনো মাস বাদ পড়লে সহজেই ধরা পড়ে।
কখন সার্ভিস প্রোভাইডার ডাকবেন
- গেজের কাঁটা লাল অংশে — কম বা বেশি।
- পিন বা সিল নেই — ধরে নিন ইউনিটটি ব্যবহার হয়ে থাকতে পারে।
- দৃশ্যমান ক্ষতি বা মরিচা আছে।
- ইউনিটটি অল্প সময়ের জন্য হলেও ব্যবহার করা হয়েছে।
- সার্ভিসের তারিখ পার হয়ে গেছে।
এক্সটিংগুইশার সাধারণত বছরে প্রায় একবার দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে পূর্ণ সার্ভিস করানো হয়। সার্ভিস ট্যাগে ও প্রস্তুতকারকের লেবেলে লেখা মেয়াদ অনুসরণ করুন।
হাতের নাগালে রাখুন
এক্সটিংগুইশারটি বের হওয়ার পথের কাছে ব্র্যাকেট, স্ট্যান্ড বা ক্যাবিনেটে রাখুন এবং জায়গাটি লোকেশন সাইন দিয়ে চিহ্নিত করুন, যাতে ধোঁয়ার মধ্যে বা ভবনে নতুন কেউও এটি খুঁজে পান।
এটি নিয়মিত চোখে দেখে পরীক্ষার সাধারণ নির্দেশনা। এটি পেশাদার সার্ভিসিংয়ের বিকল্প নয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রেশার গেজ না থাকা CO2 এক্সটিংগুইশার কীভাবে পরীক্ষা করব?
CO2 এক্সটিংগুইশার ওজন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। সিলিন্ডারে লেখা পূর্ণ ওজনের সাথে বর্তমান ওজন মিলিয়ে দেখুন; ওজন স্পষ্টভাবে কমে গেলে সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছ থেকে রিফিল করাতে হবে।
মাত্র এক সেকেন্ড ব্যবহার করলেও কি এক্সটিংগুইশার রিফিল করতে হবে?
হ্যাঁ। সিল একবার ভাঙলে এক্সটিংগুইশার ধীরে ধীরে চাপ হারাতে পারে, তাই যত অল্প সময়ই ব্যবহার হোক, এরপর রিফিল বা বদলে নেওয়া উচিত।